47 বার দেখা হয়েছে
"বাংলা গল্প" বিভাগে করেছেন
image

মাত্রই যাকে দেখে আসা হল শাড়ি পরিহিত অবস্থায় অন্য একটা রুমে। সে কিনা এই মুহূর্তে সামনে দিয়ে হেঁটে গেছে নাইটি পরে। রেনাস চাচ্ছিল না এইটা বিশ্বাস করতে যে, সে মারা গেছে। কিন্তু এখন সে যখন এটা দেখল, তার হাত পা মুখ সহ সব কিছু স্থির হয়ে গেছে। রুমটাও ছিল খানিকটা অন্ধকার। রেনাস একমুহূর্তের জন্য ভাবল, সে পেছনে ফিরে গিয়ে পাশের রুমে ম্যামকে দেখে আসবে। কিন্তু সে যখন ঘুরবে, আচমকা ম্যাম তার পেছনে। বুকটা তার এমন ভাবে ধড়াস করে উঠেছে , যেটা সেই মেসেজ দেখেও করেনি। অথবা সেই নাইটি পরিহিতা ম্যামকে দেখে। 
রেনাস ফ্যাঁকাসে মুখ নিয়েই জিজ্ঞেস করল ম্যামকে, আপনি এখানে কি করছেন ?
এভাবে কেন জিজ্ঞেস করছ ? ভাবলাম তুমি এই রুমে এসেছ। কিন্তু এই রুমে হয়ত লাইট বন্ধ থাকবে। তাই এলাম। কেন , ভাল লাগেনি ?
কিন্তু ম্যাম মাত্রই ?
কিছু বলার আগেই মুখে তার আঙ্গুল গুঁজে দেয়। হালকা করে আমার দিকে পা এগিয়ে বলে, মানা করেছিলাম না আমাকে ম্যাম ডাকতে? তবুও কেন ডাকছ? 
কিন্তু ?
কোন কথা শুনতে ইচ্ছে করছে না মাই ক্যাট। মাত্রই বললে যে এভাবেই আমাকে পছন্দ। এখন কি হয়েছে?
ভয়ঙ্কর ভাবেই ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে সে। কিন্তু আমার ভেতরের সব কিছুই কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। রুমটাও এখন আরও বেশী অন্ধকার লাগছে। মন মস্তিস্ক কিছুই কাজ করছেনা। আমিও বশীকরণের মত পেছনে হটে চলেছি। পেছনে সরতে সরতে কখন যে বিছানা চলে এসেছে। খেয়ালি করিনি। এই মুহূর্তে মাথায় ভাল কিছু আসার আগে একটা কথা হুট করে বেজে উঠে, যদি সে মেরে ফেলে আমাকে? যদি ঘাড়ে দাঁত বসিয়ে সব শুষে নেয় ? 
আমি তখন সামনে থেকে সরে গিয়ে ম্যামের পেছনে চলে আসলাম। ম্যাম আমার দিকে ঘুরে তখন একটু অভিমানী কণ্ঠেই বলে, এভাবে সামনে থেকে চলে গেলে কেন ? 
আপনার শাড়ি এখনও নেওয়া হয়নি। সেটা নিয়ে না হয় পাশের রুমে যায় আমরা ?
মাঝে মাঝে কি যে হয় তোমার। খারায় বল এভাবেই ভাল লাগে আর খারায় তুমি আমার মুড অফ করে দাও। এখানে কি সমস্যা ছিল ? 
আহা রাগ করেনা। আপনি না বললেন আপনাকে শাড়ি পরিয়ে দিতে? আমিতো নিয়ে আসছি। আপনাকে রাগের আর অভিমানের মুখে একদম মানায় না। আপনি যান আমি আসছি। 
ম্যাম আর কোন কথা না বলেই চলে যায়। কিন্তু আমি অধীর আগ্রহে বাথরুমের দরজা খোলার অপেক্ষায় আছি। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে প্রায় দুই মিনিট হতে চলল, ভেতরে না পানির শব্দ না অন্য কিছু। কিছুই বুঝা যাচ্ছিল না। এতো কৌতূহলের মাঝে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকলাম এক পা দু পা করে বাথরুমের দরজার দিকে। আমার কাছে মনে হচ্ছিল যে আমি কোন আগুনের গুহার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। শরীর গরম হয়ে ভেতরের সব কিছু পুরে যাচ্ছে আমার। আর বুকের ধড়াস ধড়াস শব্দ আমি স্পষ্টতো শুন্তেই পাচ্ছি। কিন্তু কাঁপা কাঁপা হাতে যখন দরজায় দুই হাত রাখতে যাবো, দরজাটা ভূতুরে ভাবে খুলে যায়। ভেতর থেকে দরজাটা লক করায় হয়নি। এটা কীভাবে সম্ভব ? আমি নিজের চোখেই দেখলাম লাইট জ্বালিয়ে সে বাথরুমে ঢুকল। আমার মাথাটা এমন ভাবে ঝিম ধরে যাচ্ছে, মনে হচ্ছে যে মাথা ঘুরে পড়েই যাব। লক করার শব্দটা পর্যন্ত পেয়েছি আমি।  ইচ্ছে ছিল দুই হাত দিয়ে ভর দিয়ে কান পেতে শুনব ভেতরের শব্দ।  আর দরজার মরিচিকার শব্দ যেন আমাকে মেরেই ফেলছিল। পিনপতন নিরবতার মাঝে এমন শব্দ শুনলে নিজেকে ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায়। 
ভেতরে ঢুকে আমি সেই গন্ধটা পেলাম। সেই পারফিউমটা ম্যাম অনেক দিন ব্যবহার করত। এমনটা কেন যে হচ্ছে আমার সাথে। ধরতেই চাইছিনা ম্যাম মারা গেছে। তবুও পুরো জগত আমাকে বুঝাতে চাইছে সে আর নেই।  
সাহসের সাথে পেছনে ঘুরে আলমিরার কাছে আসলাম। সেটা খুলতেই ভেতরে একটা নীল লাইট জ্বলে উঠে। বাঁ পাশে এক গাদা শাড়ীর স্তূপ। শাড়ীর স্তূপ দেখে আমার মায়ের কথা মনে পড়ে গেল। কিন্তু কষ্ট পাব নাকি স্বাভাবিক থাকব তাতো বুঝতেই পারছিনা কোন ভাবে এখন। 
একটা শাড়ি আর একটা ব্লাউজ নিয়ে পাশের রুমে গেলাম। কিন্তু আমি যখন রুমে ঢুকব, দরজার সামনে দাঁড়িয়ে দেখি ম্যাম গা ছেড়ে দিয়ে সোফার উপরে শুয়ে আছে। কাছে যেতেই দেখি তার চোখ দুটো পর্যন্ত বন্ধ। আমার মাথায় আর কিছুই আসেনি তখন । হাত থেকে শাড়ি আর ব্লাউজ ছুড়ে দিয়ে তার সামনে গিয়ে হাঁটু মোড়া করে বসে পরি। অস্থির হয়ে যায় আমার ভেতরটা। মুখটা কাচুমুচু হয়ে যায় আমার । মুখ ব্যাথা নিয়ে আমি ম্যামের দুই হাত খামচে ধরে বলি। না ম্যাম না। এতটা সময় ছিলেন আমার সাথে। এতো তাড়াতাড়ি যাবেন না। শেষ হয়ে যাবো আমি। আপনি এখনও বেঁচে আছেন। ম্যাম?
কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে ম্যাম দুই চোখ খুলে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আর আমি তার হাতের উপরে মুখ রেখে কেদেই চলেছি। আর কি কি যে বলেছি তার কোন দিশা নেই। ম্যাম তখন মাথার উপরে হাত রেখে বলে, এই রেনাস? কাঁদছ কেন তুমি? কি হয়েছে?
মাথা তুলে দেখি ম্যাম তার বাহুর উপরে ভর দিয়ে আমার দিকে কাঁচা ঘুমের চোখে তাকিয়ে আছে। এটা যে কতটা আনন্দের ছিল তা বোঝাতে পারবোনা। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি আমি। আচমকা তার দুটো গাল দু হাত দিয়ে ধরে নিজের ঠোঁটটা ডুবিয়ে দি তার ঠোঁটে। এখানে অনুভূতি একদম ভিন্ন ছিল। একদম ভিন্ন। ম্যামের জিহ্বাটাও ছুঁয়ে দিয়েছিল ভিতরে। 
ঠোঁট ছাড়ার পড়ে সেই চোখের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলাম। হারিয়ে যাবে যাবে ভাবছিলাম। কিন্তু সত্যি যদি হারিয়ে যায়, আমি কি ঠিক থাকতে পারব ? এই মুহূর্তে অন্তত বুঝে গেছি যে তাকে ছাড়া থাকতেই পারবোনা আমি। 
আমি পাশে বসলাম একদম তাঁর গা ঘেঁষে। ম্যাম অবাক করা মুখ নিয়ে আমার চেহারাটা মুছে দেয়। তবে আচল দিয়ে নয়। তাঁর হাতের তালু দিয়ে। আমার দুই গাল দুই হাত দিয়ে ধরে জিজ্ঞেস করে, কি হয়েছে তোমার ? তুমি কাঁদছিলে কেন? 
জানিনা। কি হয়েছিল। আমি মাঝে মাঝে ইমোশন ধরে রাখতে পারিনা। 
এই শুনোনা?
হুম?
বলবা না?
আমি তখন তাঁর দুই হাত ধরে বললাম, কখনও হারাবে নাতো ?
ম্যাম হোহো করে হেসে উঠে। এটা আবার কেমন প্রশ্ন ?
বলনা?
ম্যাম তাঁর গা ছেড়ে দিয়ে আমার দুই ঊরুর উপরে মাথা রাখে। মার ডান হাত টেনে নিয়ে তাঁর মাথার উপরে রেখে বলে, বিলি কেটে দাও।
আমি সেই উত্তর শোনার জন্য উন্মুখ ছিলাম। আবারও প্রশ্ন করলাম। উত্তর নেই কোন ?
আমি কয়েক দিন আগেও বিবাহিত ছিলাম। জানো সেটা ? কিন্তু দেখো আমি বিধবা। কিন্তু এই জীবনে সুখ জিনিসটা একদম অল্প সময়ে জন্য পেয়েছি। আর সেটা কখন জানো ? যখন বয়স আমার মাত্র ষোল বছর। ডেভিড নামের এক ছেলের সাথে প্রেম হয়ে গেছিল আমার। তাঁর বয়স ছিল সাতাশ। সেও স্ত্রী হারা ছিল। তাঁর কথার প্রেমে পড়ে গেছিলাম। এতো সুন্দর করে আর গুছিয়ে কথা বলত যে, আমি মুগ্ধ হতে বাধ্য হতাম। কিন্তু সেও হারিয়ে গেল। তাও ধোঁকার মাধ্যমে। কিছুই হয়নি তাঁর সাথে। শুধু তাঁর বুকে ঢুকে শুয়ে থাকতাম। তাঁর পারফিউমটা চরম ভাবে ভাল লাগত। চকলেটের পারফিউম। এটাই ভাল লাগত আমার শুধু। সেও কোন দিন আমাকে সেভাবে কিছু করতে চায়নি। নিজে থেকে কতবার যে ঠোঁট নিয়ে গেছি তাঁর দিকে। তবুও সে আমার দিকে সায় দেয়নি। কিন্তু সেই ছেলেই একদিন কিনা আমার মায়ের সাথে। যাক গে, বাদ দাও। এটা বললাম কারণ, কেও কি সারা জীবন থাকে পাশে ? কোন না কোন ভাবে সে হারিয়ে যাবেই। এমন কি পাশে থেকেও অনেকে পাশে থাকেনা।
কিন্তু আমি আছি তোমার পাশে। এই দেখো তোমার কত কাছে। তবে হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে নেই আমার।  আমি চাইনা তুমিও হারিয়ে যাও। 
মাই ম্যামের চোখের দিকে আছি অপলক দৃষ্টিতে। এই চোখের দিকে তাকিয়ে একটা কথা মনে পড়ছিল বার বার আমার। ইরাকের এক গল্পে এক মেয়ে মারা গেছিল। কিন্তু সে তাঁর স্বামীর সাথে ততক্ষন ছিল, যতক্ষণ না তাঁর স্বামী তাকে বলেছিল তুমি মারা গেছ বেগম। এই গল্পেরও একটা মর্ম আছে। সেই মর্ম বুঝা অনেক কঠিন। শেষে লিখা ছিল, "এটা তুমি তখনি বুঝবে, যখন তুমি হারানোর পথে থাকবে।"
আমিও হয়ত সেই পথে চলে এসেছি ভুল করে। একদিকে সে এখন মৃত। কিন্তু তাঁর অজান্তেই সে আমার কাছে জীবিত হয়ে আছে। 
আমি আর কিছুই বলতে চাইলাম না। কালকে ফাদার রবার্টোর কাছে যাব এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে। এখন না হয় এই বিষয়টা মাথার গভিরেই থাকুক। 
আমি একদম চুপ হয়ে গেছিলাম। ম্যাম তখন আমাকে উষ্ণ কণ্ঠে বলে, অনেকক্ষণ যাবত তোমার সাথে একটু গভীরে যেতে চাইছি। যেতে পারিনি এখনও। শাড়ি পরতে উঠতেও আর ইচ্ছা করছেনা। যদি আরও কাছে আসি খারাপ লাগবে কি তোমার?
আমি মাথা নেড়ে জবাবে বললাম, নাহ।
ম্যাম কিছুটা উঠে এসে আমার বুকের কাছে আসে। মুখ উঁচিয়ে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে ছিল গভীর এক আবদার নিয়ে। ডান হাত দিয়ে বুকের উপরে ঘেঁষে বলে, তুমি অনেক সুন্দর। আগেও ছিলে। কিন্তু এখন বেশী সুন্দর লাগছে তোমাকে। ছেলেরা হ্যান্ডসামের চেয়ে বেশী সুন্দর হলে বেশী ভাল লাগে। 
আপনি কোন দিকেই কম নন। সেই তুলনায় আমি একদম নগন্য। 
এমন বলিও না। 
আচ্ছা একটা কথা বলবেন ?
কি ?
আপ্ননি তো এক হিসেবে চার্চের নান। তাইনা?
আজ নতুন ভাবে জানতে চাইছ নাকি ?
উহু সেটা না। যদি আমি কোন ভূতের সাথে প্রেম করি, সেটা কি বাস্তবতার সাথে চলবে কখনও ?
যেমন?
হতে পারে সে ভূত হয়ে গেছে। কিন্তু সে এখনো বেঁচে আছে আমার জন্য এই পৃথিবীতে। আর আমি ছাড়া কেও দেখতে পায়না তাকে। 
এমনটা হয়না কখনও পাগল ছেলে। আর এসব ভিত্তিহীন। তবে প্রেম যেহেতু অন্ধ জিনিস। সেই হিসেবে মানা যায়। কারণ অন্ধরা যা দেখে, একজন দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন মানুষ তা দেখতে পায়না। কিন্তু  প্রশ্ন কেন ? আমাকে বাদ দিয়ে আবার কোন ভূতের পেছনে প্রেমে পড়লা।
আরে না। আমার সবচেয়ে বড় ভূতনী তো আপনি। এর চেয়ে বেশী কিছু নাই আর কোথাও।
ম্যাম আচমকা আরও কাছে এসে তাঁর মুখ ঢুকিয়ে দেয় আমার ঘাড়ের নিচে। তাঁর হালকা ভেজা ঠোঁট দিয়ে ছুঁয়ে দেয় গভীর ভাবে। কিন্তু আমি আমার ভেতর থেকে কোন কিছুই খুঁজে পাচ্ছিলাম না। মনে হচ্ছিল যে আমি একটা পাথর। আর সেই পাথরে সে ঠোঁট ছুঁয়ে চলেছে। জিহ্বার রসে ভিজে গেছে । অভিনয় করে নিজের চোখ বন্ধ করে সায় দিচ্ছিলাম মাত্র। 
ধীরে ধীরে সে যখন তাঁর রসে ভেজা ঠোঁট আমার ঠোঁটের সামনে নিয়ে আসে। তাঁর চোখটা দেখেছিলাম এক নজর মাত্র। কামুকতার চোখ এক অন্যরকম ভয়ঙ্কর জিনিস। যা এখন হয়ত ম্যামের ভেতরে ভর করেছে। কিন্তু নিজেকে কেন যে পারছিনা দিতে, সেটা জানিনা।  সে ঠোঁটে নিজেকে ডুবিয়ে আমার হাত নিয়ে যায় তাঁর অনেক ভেতরে। তবে হার মেনে নিয়েছিলাম তাঁর বুকের কাছে। লম্বা সময় পরে ডুবে গিয়েছিলাম তাঁর সেই গহিনতার ভিরে।
সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে অন্যরকম লাগছিল ভেতরটা। মনে হচ্ছিল যে, কি একটা যেন হারিয়ে যাচ্ছে। আর কিছু একটা পাচ্ছিনা। ম্যাম তখনও পাশে নগ্ন ভাবে ঘুমিয়ে আছে। শরীরে নেই কিছুই। শুধু শাড়িটা দিয়ে কিছুটা আবৃত করা আছে। আস্তে আস্তে করে পাশ কাটিয়ে নিচে নামলাম। নিচে নেমে যখন ফোনটা হাতে নিলাম। সেখানে দেখি মাইকেলের কল। অদ্ভুত ভাবে সকালটার শুরু হল আবারও। 
এতবার কল দেওয়ার পরে যখন আমি তাকে কল ব্যাক করলাম। সে কল ধরা মাত্রই আমাকে বলে, রেনাস তুই কোথায় ? তোর বাসায় গেছিলাম আমি। তুই নেই সেখানে। 
আমি সঠিক উত্তর দিতে চাচ্ছিলাম না এখনও। তাকে বললাম যে, ক্লাবে ছিলাম রাত্রে। কেন কি হয়েছে? রিপোর্ট কি এসেছে? 
কিসের রিপোর্টের কথা বলছিস? আমি সেটা সাবমিট করে দিয়েছি। চিন্তা করিস না। কিন্তু তোকে একটা কথা বলার জন্য ফোন দিয়েছিলাম। তুই কি এখন মেডিকেলে আসতে পারবি ?
দেখ ম্যাক। অনেক হয়েছে, আর না। এই বিষয় নিয়ে আর কোন কথাই বলিস না তুই আমার সাথে। 
রেনাস, সেই বিষয়ে আমি কথা বলছিনা। কিন্তু জানিনা তুই এটা শুনে ঠিক থাকতে পারবি কিনা। আমি সেই কারণে তোকে পাশে চাচ্ছিলাম। 
আবার কি হয়েছে?
না মানে। লেনা ম্যাম তো কাল রাতে এক্সিডেন্ট করেছে। আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে সব কিছুর। 
মাথাটা ঝিম করে উঠল আমার। সামনের সব দৃশ্য গুলো যে আবছা হয়ে আসছিল আমি বুঝতে পারছিলাম। 



লেখক: আহিল আহমেদ
#চলবে_____________

এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন...

এরকম আরও কিছু প্রশ্ন

0 টি উত্তর
1 টি উত্তর
12 সেপ্টেম্বর, 2021 "জীব বিজ্ঞান" বিভাগে প্রশ্ন করেছেন Abtar Hossain
1 টি উত্তর
25 আগস্ট, 2021 "জীব বিজ্ঞান" বিভাগে প্রশ্ন করেছেন ওলিউল্লাহ

34,188 টি প্রশ্ন

33,101 টি উত্তর

1,601 টি মন্তব্য

3,273 জন সদস্য

Ask Answers সাইটে আপনাকে সুস্বাগতম! এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করতে পারবেন ৷ আর অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে অবদান রাখতে পারবেন ৷
15 জন অনলাইনে আছেন
0 জন সদস্য, 15 জন অতিথি
আজকে ভিজিট : 3647
গতকাল ভিজিট : 36086
সর্বমোট ভিজিট : 45767049
  1. Kuddus

    70 পয়েন্ট

    14 টি উত্তর

    0 টি গ্রশ্ন

  2. মোছালামিয়া

    51 পয়েন্ট

    0 টি উত্তর

    1 টি গ্রশ্ন

  3. শালিক

    50 পয়েন্ট

    0 টি উত্তর

    0 টি গ্রশ্ন

  4. Jibon999

    50 পয়েন্ট

    0 টি উত্তর

    0 টি গ্রশ্ন

  5. ajb

    50 পয়েন্ট

    0 টি উত্তর

    0 টি গ্রশ্ন

এখানে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন ও উত্তরের দায়ভার কেবল সংশ্লিষ্ট প্রশ্নকর্তা ও উত্তর দানকারীর৷ কোন প্রকার আইনি সমস্যা Ask Answers কর্তৃপক্ষ বহন করবে না৷
আজ বঙ্গাব্দ৷
...