52 বার দেখা হয়েছে
"বাংলা গল্প" বিভাগে করেছেন
image


রেনাস অসহায়ের মত বিছানায় পরে আছে। মুখ আর চোখ শুঁকিয়ে উন্মাদের মত অবস্থা।  পাশে সাব্রিনা বসে আছে। মাইকেল এখনও রুমে ঢুকেনি। এর মাঝে সাব্রিনা রেনাসের একদম কানের কাছে এসে জিজ্ঞেস করে, তোমার মন মস্তিস্ক কি আসলেই একদম সবল আছে ?

রেনাস এক চোখে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সাব্রিনার দিকে। চিৎকার করে সে সাব্রিনাকে বলে, আমাকে কি তোমাদের পাগল মনে হয়? আমার ব্রেইন আউট হয়ে গেছে? আমি ভেতরে মরে গেছি? উল্টা পাল্টা বলছি ? কি ধারণা তোমাদের ? আমাকে এভাবে হাত পা বেঁধে রেখেছ। 

সাব্রিনা রেনাসের চিৎকারে মারাত্মক ভয় পেয়ে যায়। সে তখন হুড়মুড় করে সবাইকে বের করে দিয়ে রুমটা একদম ফাঁকা করে দেয়। এটা এই মেডিকেলের বেশ কয়েকটা স্পেশাল রুমের মধ্যে একটা। একমাত্র মাইকেলের আর এমডিএ এর অনুমতি ছাড়া না কেও এই রুম পায় না কেও প্রবেশ করতে পারে। দরজা জানালা লাগিয়ে এসিটা ছেড়ে সাব্রিনা রেনাসের একদম পাশে বসে। তাঁর নরম হাতটা রেনাসের বাহুতে রেখে আবারও শান্ত গলায় জিজ্ঞেস করে, তাহলে সবাই তোমাকে পাগল বলছে কেন ? 

সাব্রিনা আমি জানিনা সত্যি। আমি এখানে কীভাবে , কেন , কি কারণে আমি কিচ্ছু জানিনা। শুধু জানি আমার লেনাকে আমি আর দেখতে পাচ্ছিনা। শধু জানি সেই লোকটা তাঁর স্বামীই ছিল। সাব্রিনা, তুমি দয়া করে কিছু বলনা তাদের। যেন তারা আমাকে বিশ্বাস করে। আমি সত্যি পাগল না। কেন তারা লেনাকে মারল। কেনইবা আমাকে পাগল বানিয়ে রেখেছে। 

এটার কারণ আমি যদিও বলতে পারব না। কিন্তু একটা প্রমান দেখাতে পারবা কি?

একটা বিশেষ ডাক্তার নিয়ে এসো। সে বুঝে যাবে। 

আজকে যেই ডাক্তার এসেছিল। তাকে কিন্তু আমিই এনেছি। এর পরে আনলে , তুই সবাইকে যেতে বলে তাঁর সাথে আড়ালে কথা বলবে। বাকিটা আমাকে সামলে নিতে দাও। 

কথার মাঝেই হুট করে মাইকেল দরজা ঠেলে ঢুকে যায়। রেনাসের সাথে এভাবে একা কথা বলতে দেখে মাইকেলের চেহারায় যেন আগুন ধরে যায়। সে অগ্নিশর্মা হয়ে সাব্রিনার উপরে চড়াও হয়ে বলে, আমি কি তোদের মানা করিনি যে ওকে কোন চাপ দিবিনা? তুই কিসের জন্য একা একা ওর সাথে কথা বলছিস?

মাইকেল ও একজন সুস্থ মানুষ। 

ব্যাস সাব্রিনা। ব্যাস। ও সুস্থ নাকি অসুস্থ তোর থেকে আমি শুনতে চাইনি। ও আমার আন্ডারে। চিকিৎসার সব দায়িত্ব আমার উপরে। এর মাঝে তুই আঙ্গুল ঢুকানোর কে?

মাইকেল , টু এভাবে কেন কথা বলছিস আমার সাথে?

তো কি মধু মাখিয়ে কথা বলব? তোর সাহস হয় কি করে অন্য এক মেডিকেলের ডাক্তারকে নিয়ে আসার ?

আমি ফাদারের অনুমতি নিয়েই এসেছি। 

সেই জন্য বেঁচে গেছিস। তা না হলে তোর সাহসের মাত্রা আমি দেখিয়ে দিতাম। 

আশ্চর্যতো। তুই সামান্য এই ব্যাপার নিয়ে আমার সাথে এভাবে কথা বলছিস কিসের জন্য? 

মাইকেল তখন তাঁর মুখের উপরে রেনাসের মেডিক্যাল ফাইল ছুড়ে মারে। সে তখন বলে, আজকেই শেষ দেখে নে, আজকেই না শুধু, এই মুহূর্তে শেষ দেখা দেখে না। আমি ওকে এখানে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা রাখছি। ওকে আমি এখনি অন্য জায়গায় নিয়ে যাচ্ছি। 

সাব্রিনা রিপোর্টের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে যায়। সে আরও অবাক হয়ে যায় যে, মাইকেল তাঁর ক্ষমতা খাটিয়ে রেনাসের এই মুহূর্ত আর তাঁর জীবনটাকে কোন পর্যায়ে নিয়ে গেছে। 

সাব্রিনা কুঁচকে যাওয়া মুখ নিয়ে মাইকেল কে জিজ্ঞেস করে, তুই কি পাগল হয়ে গেছিস? শেষ পর্যন্ত কিনা এই সুস্থ মানুষকে তুই এভাবে পাগল বানিয়ে দিলি? 

কথা শেষ। ফাক অফ। এখন চোখের সামনে থেকে চলে যা। গিয়ে ফাদারের চামচামি কর এখন । 

মাইকেল ধীরে পায়ে রেনাসের কাছে এসে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। নরম কণ্ঠে তাকে বলে, আর একটু সহ্য কর। তোকে শান্তির জায়গায় নিয়ে যাচ্ছি। 

রেনাস তাকে বলে, আমি এর আগে কখনও তোদের কে এভাবে মুখমুখি হতে দেখিনি। আজ দেখে অনেক কষ্ট লাগল। এখন নিজেই ভাবছি আমি, আমি কি সুস্থ নাকি অসুস্থ?

তুই সুস্থ হয়ে যাবি। চিন্তা করিস না।

ম্যাম বেঁচে আছে ?

রেনাস। এখন আবার জেদ তুলিস না দয়া করে। 

সাব্রিনা তখন দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে। মাইকেল তাকে আবারও কড়া গলায় বলে। এখন আমাকে একা থাকতে দে। তুই যেতে পারিস। 

সাব্রিনা বের হতেই মাইকেল রেনাস কে বলে, যত দ্রুত সম্ভব আমরা এখান থেকে চলে যাব। আর এক মুহূর্ত এখানে থাকা যাবেনা। 

রেনাস এখনও কিছুই বুঝতে পারেনি এই পরিবেশের। এখনও সব কিছুই ঘোলাটে। সেদিন যে এক্সিডেন্ট হয়েছিল, তারপর থেকে এযাবৎ তাঁর দুই বার জ্ঞান ফিরেছে। এর আগে একবার ফিরলেও বেশী সময় সে টিকতে পারেনি। আবার আজ ফিরেছে। আর আজ জ্ঞান ফিরতেই সব কিছু আরও ঘোলাটে। 

সে কাঁদতে কাঁদতে মাইকেল কে জিজ্ঞেস করে, এই বলনা, ম্যাম কোথাই? 

মাইকেল এমন কথে প্রশ্ন শুনে স্তব্ধ হয়ে যায়। কোন জবাব আসলেই নেই তাঁর কাছে। এর আগে একবার বললেও উত্তরটা মানতে চাচ্ছেনা রেনাস। সে বেঁচে থাকবে , কিন্তু ম্যাম থাকবেনা এই দুনিয়াতে, সেটা কোন পাজলেই মিলবে না। 

মাইকেল তখন আস্তে করে তাঁর পাশে বসে। তাঁর হাঁটুর উপরে হাত রেখে বলে, ম্যাম বেঁচে নেই। এই বিষয় ছাড়া এখন আর কোন প্রশ্ন করিস না। মন টা শক্ত কর। অনেক ক্কিছুই জানা বাকি আছে তোর। তুই এখন একটা ফাঁদে আঁটকে আছিস। আমি তোকে উদ্ধার করতে পারবোনা। কিন্তু তোকে উঠতে হবে এখান থেকে। শুধু আমার কথা বিশ্বাস কর। যেখানে নিয়ে যাচ্ছি তোকে, সেখানে চল। তারপরে আস্তে আস্তে সব জানিয়ে দিব। 

দুজনের কথা শেষ হতেই পিপিই পরিহিত চারজন লোক ঢুকে রুমের ভেতরে। তারা মাইকেলের ঠিক করা ব্যাক্তি। মাইকেল শুরু থেকে সব কিছু বুঝিয়ে দেয় তাদেরকে। মাইকেল যাবে এক পথ দিয়ে। তাঁর পেছনেও একটা এ্যাম্বুলেন্স থাকবে। কিন্তু যেই এ্যাম্বুলেন্সে রেনাস থাকবে, সেটা যাবে একদম আলাদা পথ দিয়ে। 

রেনাসের কথা বলার মত শারীরিক শক্তি আর মানসিক শক্তি কোনটাই নাই। সে শুধু অবলা এক শিশুর মত হ্যাঁতে হ্যাঁ মিলিয়ে যাচ্ছে। তাকিয়ে আছে ছাদেরে সেই সিলিং ফ্যানের দিকে। এছাড়া কোন শক্তি নেই তাঁর। সেদিকে তাঁর মনোযোগ থাকা অবস্থাতেই তাঁর ঘাড়ে একটা ছোট ইনজেকশন পুশ করে দেয় মাইকেল। আবারও সব কিছু অন্ধকার হয়ে যায় রেনাসের। 

মেডিকেলে থাকা অবস্থায় কখনও রাত দিন বুঝা যায়নি। কিন্তু রেনাসের যখন চোখ খুলে, সে পাশের জানালার রঙ দেখে বুঝতে পারে যে, সময়টা এখন সন্ধ্যা। কিন্তু পাশের শো শো আর পানি আছড়ে পড়ার শব্দটা অনেক চেনা চেনা লাগছে। যেন মনে হচ্ছে যে, সে নদী কিংবা সাগরের একদম কিনারে আছে। 

সে যখন অনেক কষ্টে নিজের শরীরটা হেলান দিতে যাবে। ঠিক সেই সময়ে দরজা ঠেলে একজন লম্বা স্বর্ণকেশী মেয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। রেনাসের চোখ যেন ছানাবড়া। কাঁপতে কাঁপতে সে মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করে, আমি আবারও স্বপ্ন দেখছি?

মেয়েটা অমায়িকতার সাথে নরম করে তাকে বলে, একদম না স্যার। আমি আপনার বাস্তবতা। ঠিক আপনার মত। আমাকে এখানে আপনার জন্য রাখা হয়েছে। 

রেনাস সুক্ষ চোখ নিয়ে মেয়েটার দিকে তাকায়। পরনে তার শর্ট ড্রেস। সেই ড্রেসের উপরে একটা কোর্টও পরেছে। পুরো ঊরু আর হাঁটু সহ নিচের পা টা পর্যন্ত দৃশ্যমান। স্লিম বডির সাথে এটা মারাত্মক আকর্ষণীয়। তবুও রেনাস কাঁপছে। সে জিজ্ঞেস করে, আমি এখন কোথাই? মাইকেল  কোথাই?

উনি এখন রেস্ট নিচ্ছে। আপনি এখন স্যারের  বীচ হাউজে আছেন। আপনি সেইফ আছেন। একদম চিন্তা করবেন না। 

মাইকেল কে কি ডেকে দেওয়া যাবে?

রেনাসের প্রশ্ন শেষ হতেই পেছন থেকে মাইকেলের কণ্ঠ ভেসে আসে। ডেকে দাওয়া লাগবেনা। আমি চলে এসেছি। এই হিনা, আমার জন্য একটা কড়া গ্লাস। আর ওর জন্য আপাতত একটা চিংরি স্যুপ নিয়ে এসো। খাইয়ে দিতে পারো তো তাইনা ?

জি স্যার। 

ঠিক আছে। যাও এখন তুমি। একটু একা থাকি বন্ধুর সাথে। 

রুমটা ফাঁকা হয়ে যায় মেয়েটা যাওয়ার পরে। মাইকেল এসে বিছানার পাশের জানালাটার পর্দা সরিয়ে দেয় দুই দিকে। রেনাস আগের চেয়ে বেশ চুপচাপ হয়ে গেছে। মাইকেল পাশে বসতেই বসতেই , এখন তুই অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠবি। সাগরের বাতাস। এই বাড়িটা কিনতে বহুত কষ্ট হয়েছে। যাইহোক, সেগুলো বাদ দে, কি খেতে ইচ্ছে করছে তোর?

রেনাস এক ভাবে তাকিয়ে আছে মাইকেলের দিকে। অনেকক্ষণ পরে সে মাইকেল কে জিজ্ঞেস করে, আমাকে তোরা সবাই পাগল বানিয়ে দিয়েছিস কেন ?

রেনাস, লম্বা সময় আছে হাতে। আমিও ছুটি নিয়ে এসেছি। আছি তো আমি। আজকের রাত টা না হয় একটু অন্য ভাবে কাটায় আমরা। 

একটা কথা জিজ্ঞেস করেছি আমি তোকে। কেন ? আর লেনা ম্যাম কোথাই?

ম্যাম মারা গেছে সেদিনই। কিন্তু ম্যামের বডি আছে ডি লেভারিয়া মেডিকেলে। এক পরিচিত লোকের মাধ্যমে সেখানে রাখতে পেরেছি। 

কিন্তু সেটা কোন এক্সিডেন্ট ছিলোনা মাইকেল। এতো হাইলি সিকিউর গাড়িতে কখনও ব্রেক ফেল হবে তুই বিশ্বাস করবি? আর সামনে পেছনে দুটো ট্রাক? তখনও বেঁচে ছিল। দুজনের কেও আমরা অতটাও আঘাত পায়নি। কেন কীভাবে পায়নি তাও জানিনা। তাহলে মারা গেল কীভাবে? 

রেনাস, দয়া করে? এখন বাদ দে এসব। অন্য সময় বলব।

তুই কিছু একটা লুকাচ্ছিস ম্যাক। 

ম্যাক তখন চরম পর্যায়ে রেগে যায়। বিছানা থেকে উঠে সে চিৎকার করে বলে, হ্যাঁ আমি লুকাচ্ছি। আমি লুকাচ্ছি কারণ তুই যেন বেঁচে থাকিস। তোর বেঁচে থাকার জন্য আমি এসব করছি। তোকে পাগল বানাচ্ছি। তোকে উন্মাদ বানাচ্ছি। তোকে শেষ করে দিচ্ছি। প্রয়োজনে তোকে আমি মেরে ফেলব। আমি। 

ম্যাক অন্য দিকে ঘুরে ফস ফস করছে। কিন্তু সে শুনতে পায় রেনাসের করুণ কান্না। যেটা সে আজ থেকে প্রায় বার বছর আগে দেখেছিল। কিন্তু সেই কান্না আর এই কান্না অনেক অনেক পার্থক্য। 

সে করুণ কণ্ঠে মাইকেল কে বলে, মেরে ফেল আমাকে। লেনা যেখানে নাই। আমি থেকে কি করব। 

এমন কান্না মাইকেলকেও দুর্বল করে ফেলে। সে তখন তাঁর পাশে এসে বলে, আজ না হয় একটু ধৈর্য ধর। কালকে সকালে তোকে শুরু থেকে সব বলব। 

আমার সেই ধৈর্য নাই। জানিনা কত দিন থেকে ধৈর্য ধরছি। স্বপ্নের ভেতরেও ধৈর্য। এখন জ্যান্ত থাকা অবস্থাতেও তুই ধৈর্য ধরতে বলছিস। 

জানিনা বিশ্বাস করবি কিনা। তবে এটা মার্ডার ছিল। আর লেনা ম্যাম কে মেডিকেলে আনার পরেই মেরে ফেলা হয়েছে। কিন্তু ম্যামের স্বামী জীবিত। আর তোকে এখানে নিয়ে আসার মূল কারণ হল, তোর পেছনে একটা বড় কারণ আছে। কেও একজ্জন আমাদের পাশে সব সময় আছে। যে কিনা আমাদেরকে পর্যবেক্ষণ করছে। আর কি বা সেই কারণ, তাও জানিনা আমি। তবে এমন কয়েকজন এসবে জড়িত আছে যে, যাদের কে পেলে তুই নিজের চোখকেও বিশ্বাস করবি না। আর তারা তোকে পেলে জ্যান্ত রাখবে না। 

তুই কি বুঝাতে চাইছিস যে, একটা বড় কারণ আছে আমাদের পেছনে ?

হুম আছে? 

রেনাসের তখন অদ্ভুত একটা কথা মনে পড়ে যায়। যেটা ম্যাম গাড়ির ভেতরে অনেকক্ষণ ধরে পুরোটা বলতে চাইছিল। 





লেখক: আহিল আহমেদ

#চলবে...............


এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন...

এরকম আরও কিছু প্রশ্ন

0 টি উত্তর
0 টি উত্তর
1 টি উত্তর
12 সেপ্টেম্বর, 2021 "জীব বিজ্ঞান" বিভাগে প্রশ্ন করেছেন Abtar Hossain
1 টি উত্তর
25 আগস্ট, 2021 "জীব বিজ্ঞান" বিভাগে প্রশ্ন করেছেন ওলিউল্লাহ

34,188 টি প্রশ্ন

33,101 টি উত্তর

1,601 টি মন্তব্য

3,273 জন সদস্য

Ask Answers সাইটে আপনাকে সুস্বাগতম! এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করতে পারবেন ৷ আর অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে অবদান রাখতে পারবেন ৷
12 জন অনলাইনে আছেন
0 জন সদস্য, 12 জন অতিথি
আজকে ভিজিট : 4785
গতকাল ভিজিট : 36086
সর্বমোট ভিজিট : 45768186
  1. Kuddus

    70 পয়েন্ট

    14 টি উত্তর

    0 টি গ্রশ্ন

  2. মোছালামিয়া

    51 পয়েন্ট

    0 টি উত্তর

    1 টি গ্রশ্ন

  3. শালিক

    50 পয়েন্ট

    0 টি উত্তর

    0 টি গ্রশ্ন

  4. Jibon999

    50 পয়েন্ট

    0 টি উত্তর

    0 টি গ্রশ্ন

  5. ajb

    50 পয়েন্ট

    0 টি উত্তর

    0 টি গ্রশ্ন

এখানে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন ও উত্তরের দায়ভার কেবল সংশ্লিষ্ট প্রশ্নকর্তা ও উত্তর দানকারীর৷ কোন প্রকার আইনি সমস্যা Ask Answers কর্তৃপক্ষ বহন করবে না৷
আজ বঙ্গাব্দ৷
...