ঘোষনাঃ
সম্মানীত সদস্যবৃন্দ ! আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সার্ভারে কারিগরি ত্রুটির কারনে সার্ভার মেরামতের কাজ চলছে৷ তাই এই সময়ে কেউ প্রশ্ন করবেন না এবং কোন প্রশ্নে উত্তর দিবেন না৷ দয়া করে অপেক্ষা করুন৷
Ask Answers এ আপনাকে স্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং সাইটের অন্যান্য সদস্যদের কাছ থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
12 বার দেখা হয়েছে
"ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে করেছেন

1 টি উত্তর

0 জনের পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন
‘আদ জাতির ধ্বংসের প্রায় ৫০০ বছর পরে হযরত ছালেহ (আঃ) কওমে ছামূদ-এর প্রতি নবী হিসাবে প্রেরিত হন।কওমে ‘আদ ও কওমে ছামূদ একই দাদা ‘ইরাম’-এর দু’টি বংশধারার নাম। এদের বংশ পরিচয় ইতিপূর্বে হূদ (আঃ)-এর আলোচনায় বিধৃত হয়েছে। কওমে ছামূদ আরবের উত্তর-পশ্চিম এলাকায় বসবাস করত। তাদের প্রধান শহরের নাম ছিল ‘হিজ্র’ যা শামদেশ অর্থাৎ সিরিয়ার অন্তর্ভুক্ত ছিল। বর্তমানে একে সাধারণভাবে ‘মাদায়েনে ছালেহ’ বলা হয়ে থাকে। ‘আদ জাতির ধ্বংসের পর ছামূদ জাতি তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়। তারাও ‘আদ জাতির মত শক্তিশালী ও বীরের জাতি ছিল। তারা প্রস্তর খোদাই ও স্থাপত্য বিদ্যায় খুবই পারদর্শী ছিল। সমতল ভূমিতে বিশালকায় অট্টালিকা নির্মাণ ছাড়াও পর্বতগাত্র খোদাই করে তারা নানা রূপ প্রকোষ্ঠ নির্মাণ করত। তাদের স্থাপত্যের নিদর্শনাবলী আজও বিদ্যমান রয়েছে। এগুলোর গায়ে ইরামী ও ছামূদী বর্ণমালার শিলালিপি খোদিত রয়েছে। অভিশপ্ত অঞ্চল হওয়ার কারণে এলাকাটি আজও পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। কেউ সেখানে বসবাস করে না। ৯ম হিজরীতে তাবূক যুদ্ধে যাওয়ার পথে মুসলিম বাহিনী হিজ্রে অবতরণ করলে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাদেরকে সেখানে প্রবেশ করতে নিষেধ করে বলেন,

ﻻَ ﺗَﺪْﺧُﻠُﻮﺍ ﻣَﺴَﺎﻛِﻦَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤُﻮﺍ ﺃَﻧْﻔُﺴَﻬُﻢْ ﺇِﻻَّ ﺃَﻥْ ﺗَﻜُﻮﻧُﻮﺍ ﺑَﺎﻛِﻴْﻦَ ﺃَﻥْ ﻳُﺼِﻴﺒَﻜُﻢْ ﻣَﺎ ﺃَﺻَﺎﺑَﻬُﻢْ –

‘তোমরা ঐসব অভিশপ্তদের এলাকায় প্রবেশ করো না ক্রন্দনরত অবস্থায় ব্যতীত। যদি ক্রন্দন করতে না পার, তাহ’লে প্রবেশ করো না। তাহ’লে তোমাদের উপর ঐ গযব আসতে পারে, যা তাদের উপর এসেছিল’।[2] রাসূলের এই বক্তব্যের মধ্যে সুক্ষ্ম তাৎপর্য এই যে, এগুলি দেখে যদি মানুষ আল্লাহর গযবে ভীত না হয়, তাহ’লে তাদের অন্তর শক্ত হয়ে যাবে এবং ঐসব অভিশপ্তদের মত অহংকারী ও হঠকারী আচরণ করবে। ফলে তাদের উপর অনুরূপ গযব নেমে আসবে, যেরূপ ইতিপূর্বে ঐসব অভিশপ্তদের উপর নেমে এসেছিল।

পার্থিব বিত্ত-বৈভব ও ধনৈশ্বর্যের পরিণতি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অশুভ হয়ে থাকে। বিত্তশালীরা আল্লাহ ও আখেরাতকে ভুলে গিয়ে ভ্রান্ত পথে পা বাড়ায়। ছামূদ জাতির বেলায়ও তাই হয়েছিল। অথচ কওমে নূহের কঠিন শাস্তির ঘটনাবলী তখনও লোকমুখে আলোচিত হ’ত। আর কওমে ‘আদ-এর নিশ্চিহ্ন হওয়ার ঘটনা তো তাদের কাছে একপ্রকার টাটকা ঘটনাই ছিল। অথচ তাদের ভাইদের ধ্বংসস্ত্তপের উপরে বড় বড় বিলাসবহুল অট্টালিকা নির্মাণ করে ও বিত্ত বৈভবের মালিক হয়ে তারা পিছনের কথা ভুলে গেল। এমনকি তারা ‘আদ জাতির মত অহংকারী কার্যকলাপ শুরু করে দিল। তারা শিরক ও মূর্তিপূজায় লিপ্ত হ’ল। এমতাবস্থায় তাদের হেদায়াতের জন্য তাদেরই বংশের মধ্য হ’তে ছালেহ (আঃ)-কে আল্লাহ নবী মনোনীত করে পাঠালেন।কওমে ছামূদ-এর প্রতি হযরত সালেহ (আঃ)-এর দাওয়াত :

পথভোলা জাতিকে হযরত ছালেহ (আঃ) সর্বপ্রথম তাওহীদের দাওয়াত দিলেন। তিনি তাদেরকে মূর্তিপূজাসহ যাবতীয় শিরক ও কুসংস্কার ত্যাগ করে এক আললাহর ইবাদত ও তাঁর প্রেরিত বিধান সমূহের প্রতি আনুগত্যের আহবান জানালেন। তিনি যৌবনকালে নবুঅতপ্রাপ্ত হন। তখন থেকে বার্ধক্যকাল অবধি তিনি স্বীয় কওমকে নিরন্তর দাওয়াত দিতে থাকেন। কওমের দুর্বল শ্রেণীর লোকেরা তাঁর উপরে ঈমান আনলেও শক্তিশালী ও নেতৃস্থানীয় লোকেরা তাঁকে অস্বীকার করে। ছালেহ (আঃ)-এর দাওয়াত সম্পর্কে সূরা আ‘রাফের ৭৩-৭৯ আয়াতে আল্লাহ বলেন,          ﻭَﺇِﻟَﻰ ﺛَﻤُﻮْﺩَ ﺃَﺧَﺎﻫُﻢْ ﺻَﺎﻟِﺤﺎً ﻗَﺎﻝَ ﻳَﺎ ﻗَﻮْﻡِ ﺍﻋْﺒُﺪُﻭﺍ ﺍﻟﻠﻪَ ﻣَﺎ ﻟَﻜُﻢ ﻣِّﻦْ ﺇِﻟَـﻪٍ ﻏَﻴْﺮُﻩُ ﻗَﺪْ ﺟَﺎﺀﺗْﻜُﻢْ ﺑَﻴِّﻨَﺔٌ ﻣِّﻦ ﺭَّﺑِّﻜُﻢْ ﻫَـﺬِﻩِ ﻧَﺎﻗَﺔُ ﺍﻟﻠﻪِ ﻟَﻜُﻢْ ﺁﻳَﺔً ﻓَﺬَﺭُﻭْﻫَﺎ ﺗَﺄْﻛُﻞْ ﻓِﻲْ ﺃَﺭْﺽِ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﻻَ ﺗَﻤَﺴُّﻮْﻫَﺎ ﺑِﺴُﻮْﺀٍ ﻓَﻴَﺄْﺧُﺬَﻛُﻢْ ﻋَﺬَﺍﺏٌ ﺃَﻟِﻴْﻢٌ، ﻭَﺍﺫْﻛُﺮُﻭْﺍ ﺇِﺫْ ﺟَﻌَﻠَﻜُﻢْ ﺧُﻠَﻔَﺎﺀَ ﻣِﻦْ ﺑَﻌْﺪِ ﻋَﺎﺩٍ ﻭَﺑَﻮَّﺃَﻛُﻢْ ﻓِﻲ ﺍﻷَﺭْﺽِ ﺗَﺘَّﺨِﺬُﻭْﻥَ ﻣِﻦْ ﺳُﻬُﻮْﻟِﻬَﺎ ﻗُﺼُﻮْﺭﺍً ﻭَﺗَﻨْﺤِﺘُﻮْﻥَ ﺍﻟْﺠِﺒَﺎﻝَ ﺑُﻴُﻮْﺗﺎً ﻓَﺎﺫْﻛُﺮُﻭْﺍ ﺁﻵﺀَ ﺍﻟﻠﻪِ ﻭَﻻَ ﺗَﻌْﺜَﻮْﺍ ﻓِﻲ ﺍﻷَﺭْﺽِ ﻣُﻔْﺴِﺪِﻳْﻦَ، ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟْﻤَﻸُ ﺍﻟَّﺬِﻳْﻦَ ﺍﺳْﺘَﻜْﺒَﺮُﻭْﺍ ﻣِﻦْ ﻗَﻮْﻣِﻪِ ﻟِﻠَّﺬِﻳْﻦَ ﺍﺳْﺘُﻀْﻌِﻔُﻮْﺍ ﻟِﻤَﻦْ ﺁﻣَﻦَ ﻣِﻨْﻬُﻢْ ﺃَﺗَﻌْﻠَﻤُﻮْﻥَ ﺃَﻥَّ ﺻَﺎﻟِﺤﺎً ﻣُّﺮْﺳَﻞٌ ﻣِّﻦ ﺭَّﺑِّﻪِ ﻗَﺎﻟُﻮْﺍ ﺇِﻧَّﺎ ﺑِﻤَﺎ ﺃُﺭْﺳِﻞَ ﺑِﻪِ ﻣُﺆْﻣِﻨُﻮْﻥَ، ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬِﻳْﻦَ ﺍﺳْﺘَﻜْﺒَﺮُﻭْﺍ ﺇِﻧَّﺎ ﺑِﺎﻟَّﺬِﻱْ ﺁﻣَﻨﺘُﻢْ ﺑِﻪِ ﻛَﺎﻓِﺮُﻭْﻥَ، ﻓَﻌَﻘَﺮُﻭﺍ ﺍﻟﻨَّﺎﻗَﺔَ ﻭَﻋَﺘَﻮْﺍ ﻋَﻦْ ﺃَﻣْﺮِ ﺭَﺑِّﻬِﻢْ ﻭَﻗَﺎﻟُﻮﺍ ﻳَﺎ ﺻَﺎﻟِﺢُ ﺍﺋْﺘِﻨَﺎ ﺑِﻤَﺎ ﺗَﻌِﺪُﻧَﺎ ﺇِﻥْ ﻛُﻨْﺖَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻤُﺮْﺳَﻠِﻴْﻦَ، ﻓَﺄَﺧَﺬَﺗْﻬُﻢُ ﺍﻟﺮَّﺟْﻔَﺔُ ﻓَﺄَﺻْﺒَﺤُﻮْﺍ ﻓِﻲْ ﺩَﺍﺭِﻫِﻢْ ﺟَﺎﺛِﻤِﻴْﻦَ، ﻓَﺘَﻮَﻟَّﻰ ﻋَﻨْﻬُﻢْ ﻭَﻗَﺎﻝَ ﻳَﺎ ﻗَﻮْﻡِ ﻟَﻘَﺪْ ﺃَﺑْﻠَﻐْﺘُﻜُﻢْ ﺭِﺳَﺎﻟَﺔَ ﺭَﺑِّﻲْ ﻭَﻧَﺼَﺤْﺖُ ﻟَﻜُﻢْ ﻭَﻟَﻜِﻦ ﻻَّ ﺗُﺤِﺒُّﻮْﻥَ ﺍﻟﻨَّﺎﺻِﺤِﻴْﻦَ – ) ﺍﻷﻋﺮﺍﻑ ৭৩-৭৯ )‘ছামূদ জাতির নিকটে (আমরা প্রেরণ করেছিলাম) তাদের ভাই ছালেহকে। সে বলল, হে আমার জাতি! তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন উপাস্য নেই। তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ হ’তে একটি প্রমাণ এসে গেছে। এটি আল্লাহর উষ্ট্রী, তোমাদের জন্য নিদর্শন স্বরূপ। অতএব তোমরা একে ছেড়ে দাও আল্লাহর যমীনে চরে বেড়াবে। তোমরা একে অন্যায়ভাবে স্পর্শ করবে না। তাতে মর্মান্তিক শাস্তি তোমাদের পাকড়াও করবে’ (আ‘রাফ ৭/৭৩)। ‘তোমরা স্মরণ কর, যখন আল্লাহ তোমাদেরকে ‘আদ জাতির পরে তাদের স্থলাভিষিক্ত করেন এবং তোমাদেরকে পৃথিবীতে ঠিকানা করে দেন। সেমতে তোমরা সমতল ভূমিতে অট্টালিকা সমূহ নির্মাণ করেছ এবং পাহাড়ের গায়ে খোদাই করে প্রকোষ্ঠ সমূহ নির্মাণ করেছ। অতএব তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ সমূহ স্মরণ কর এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করো না’ (৭৪)। কিন্তু তার সম্প্রদায়ের দাম্ভিক নেতারা ঈমানদার দুর্বল শ্রেণীর উদ্দেশ্যে বলল, ‘তোমরা কি জানো যে, ছালেহ তার প্রভুর পক্ষ হ’তে প্রেরিত নবী? তারা বলল, আমরা তো তার আনীত বিষয় সমূহের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী’ (৭৫)। ‘(জবাবে) দাদ্ভিক নেতারা বলল, তোমরা যে বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করেছ, আমরা সে বিষয়ে অস্বীকারকারী’ (৭৬)। ‘অতঃপর তারা উষ্ট্রীকে হত্যা করল এবং তাদের প্রভুর আদেশ অমান্য করল। তারা বলল, হে ছালেহ! তুমি নিয়ে এস যদ্বারা তুমি আমাদের ভয় দেখাতে, যদি তুমি আল্লাহর প্রেরিত নবীদের একজন হয়ে থাক’ (৭৭)। ‘অতঃপর ভূমিকম্প তাদের পাকড়াও করল এবং সকাল বেলা নিজ নিজ গৃহে সবাই উপুড় হয়ে পড়ে রইল’ (৭৮)। ‘ছালেহ তাদের কাছ থেকে প্রস্থান করল এবং বলল, হে আমার সম্প্রদায়! আমি তোমাদের কাছে আমার প্রতিপালকের পয়গাম পৌঁছে দিয়েছি এবং তোমাদের কল্যাণ কামনা করেছি। কিন্তু তোমরা কল্যাণকামীদের ভালবাস না’ (আ‘রাফ ৭/৭৩-৭৯)।

ছালেহ (আঃ)-এর উপরোক্ত দাওয়াত ও তাঁর কওমের আচরণ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের ২২টি সূরায় ৮৭টি আয়াতে বিভিন্নভাবে বর্ণিত হয়েছে।সালেহ (আঃ)-এর দাওয়াতের ফলশ্রুতি :

ইতিপূর্বেকার ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলির ন্যায় কওমে ছামূদও তাদের নবী হযরত ছালেহ (আঃ)-কে অমান্য করে। তারা বিগত ‘আদ জাতির ন্যায় পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করতে থাকে। নবী তাদেরকে যতই দাওয়াত দিতে থাকেন, তাদের অবাধ্যতা ততই সীমা লংঘন করতে থাকে। ‘তারা বলল,

ﻗَﺎﻟُﻮْﺍ ﻳَﺎ ﺻَﺎﻟِﺢُ ﻗَﺪْ ﻛُﻨْﺖَ ﻓِﻴْﻨَﺎ ﻣَﺮْﺟُﻮًّﺍ ﻗَﺒْﻞَ ﻫَﺬَﺍ ﺃَﺗَﻨْﻬَﺎﻧَﺎ ﺃَﻥ ﻧَّﻌْﺒُﺪَ ﻣَﺎ ﻳَﻌْﺒُﺪُ ﺁﺑَﺎﺅُﻧَﺎ ﻭَﺇِﻧَّﻨَﺎ ﻟَﻔِﻲْ ﺷَﻚٍّ ﻣِّﻤَّﺎ ﺗَﺪْﻋُﻮْﻧَﺎ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﻣُﺮِﻳْﺐٍ – ) ﻫﻮﺩ ৬২ ( –

হে ছালেহ! ইতিপূর্বে আপনি আমাদের কাছে আকাংখিত ব্যক্তি ছিলেন। আপনি কি বাপ-দাদার আমল থেকে চলে আসা উপাস্যদের পূজা করা থেকে আমাদের নিষেধ করছেন? অথচ আমরা আপনার দাওয়াতের বিষয়ে যথেষ্ট সন্দিহান’ (হূদ ১১/৬২)। তারা কওমের দুর্বল ও দরিদ্র শ্রেণীর লোকদের জমা করে বলল, ﺃَﺗَﻌْﻠَﻤُﻮْﻥَ ﺃَﻥَّ ﺻَﺎﻟِﺤﺎً ﻣُّﺮْﺳَﻞٌ ﻣِّﻦ ﺭَّﺑِّﻪِ – ‘তোমরা কি বিশ্বাস কর যে, ছালেহ তার প্রভুর পক্ষ হ’তে প্রেরিত ব্যক্তি’? তারা জবাব দিল, ﺇِﻧَّﺎﺑِﻤَﺎ ﺃُﺭْﺳِﻞَ ﺑِﻪِ ﻣُﺆْﻣِﻨُﻮْﻥَ- ‘আমরা তো তাঁর আনীত বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী’। একথা শুনে দাম্ভিক নেতারা ক্ষিপ্ত হয়ে বলে উঠল, ‘তোমরা যে বিষয়ে ঈমান এনেছ, আমরা ঐসব কিছুকে অস্বীকার করি’ (আ‘রাফ ৭/৭৫)। তারা আরও বলল,

ﻓَﻘَﺎﻟُﻮﺍ ﺃَﺑَﺸَﺮًﺍ ﻣِّﻨَّﺎ ﻭَﺍﺣِﺪًﺍ ﻧَّﺘَّﺒِﻌُﻪُ ﺇِﻧَّﺎ ﺇِﺫًﺍ ﻟَّﻔِﻲْ ﺿَﻼَﻝٍ ﻭَﺳُﻌُﺮٍ – ﺃَﺅُﻟْﻘِﻲَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻣِﻦ ﺑَﻴْﻨِﻨَﺎ ﺑَﻞْ ﻫُﻮَ ﻛَﺬَّﺍﺏٌ ﺃَﺷِﺮٌ – ) ﺍﻟﻘﻤﺮ ২৪-২৫ ( –

‘আমরা কি আমাদেরই একজনের অনুসরণ করব? তাহ’লে তো আমরা বিপথগামী ও বিকারগ্রস্ত বলে গণ্য হব’। ‘আমাদের মধ্যে কি কেবল তারই উপরে অহী নাযিল করা হয়েছে? আসলে সে একজন মহা মিথ্যাবাদী ও দাম্ভিক’ (ক্বামার ৫৪/২৪-২৫)। তারা ছালেহকে বলল, ﻗَﺎﻟُﻮﺍ ﺍﻃَّﻴَّﺮْﻧَﺎ ﺑِﻚَ ﻭَﺑِﻤَﻦ ﻣَّﻌَﻚَ …- ‘আমরা তোমাকে ও তোমার সাথে যারা আছে তাদেরকে অকল্যাণের প্রতীক মনে করি’… (নামল ২৭/৪৭)। এইভাবে সমাজের শক্তিশালী শ্রেণী তাদের নবীকে অমান্য করল এবং মূর্তিপূজা সহ নানাবিধ শিরক ও কুসংস্কারে লিপ্ত হ’ল এবং সমাজে অনর্থ সৃষ্টি করতে থাকল। আল্লাহর ভাষায়, ﻓَﺎﺳْﺘَﺤَﺒُّﻮﺍ ﺍﻟْﻌَﻤَﻰ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟْﻬُﺪَﻯ ﻓَﺄَﺧَﺬَﺗْﻬُﻢْ ﺻَﺎﻋِﻘَﺔُ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏِ ﺍﻟْﻬُﻮْﻥِ ﺑِﻤَﺎ ﻛَﺎﻧُﻮْﺍ ﻳَﻜْﺴِﺒُﻮْﻥَ – ‘তারা হেদায়াতের চাইতে অন্ধত্বকেই পসন্দ করে নিল। অতঃপর তাদের কৃতকর্মের ফলে অবমাননাকর শাস্তির গর্জন এসে তাদের পাকড়াও করল’ (ফুছছিলাত/হামীম সাজদাহ ৪১/১৭)।

এরকম আরও কিছু প্রশ্ন

1 টি উত্তর
23 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
1 টি উত্তর
23 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
1 টি উত্তর
23 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
1 টি উত্তর
23 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
0 টি উত্তর
23 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
0 টি উত্তর
23 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
1 টি উত্তর
24 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তুষার
1 টি উত্তর
24 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তুষার
1 টি উত্তর
23 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
1 টি উত্তর
23 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
1 টি উত্তর
24 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
0 টি উত্তর
24 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
1 টি উত্তর
23 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা
1 টি উত্তর
23 ফেব্রুয়ারি "ইসলামের ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানহা

15,503 টি প্রশ্ন

15,432 টি উত্তর

489 টি মন্তব্য

719 জন সদস্য

Ask Answers সাইটে আপনাকে সুস্বাগতম! এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করতে পারবেন ৷ আর অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে অবদান রাখতে পারবেন ৷
11 জন অনলাইনে আছেন
0 জন সদস্য, 11 জন অতিথি
  1. তানহা

    542 পয়েন্ট

    102 টি উত্তর

    32 টি গ্রশ্ন

  2. Sharif45

    465 পয়েন্ট

    86 টি উত্তর

    34 টি গ্রশ্ন

  3. Mohammad Sayem

    460 পয়েন্ট

    80 টি উত্তর

    60 টি গ্রশ্ন

  4. Md.Sabbir

    341 পয়েন্ট

    53 টি উত্তর

    76 টি গ্রশ্ন

  5. Md.Suny

    218 পয়েন্ট

    19 টি উত্তর

    123 টি গ্রশ্ন

এখানে প্রকাশিত প্রশ্ন ও উত্তরের দায়ভার কেবল সংশ্লিষ্ট প্রশ্নকর্তা ও উত্তর দানকারীর৷ কোনপ্রকার আইনি সমস্যা Ask Answers বহন করবে না৷
...