বাংলাদেশে ভোক্তা অধিকার রক্ষার জন্য বেশ কয়েকটি আইন কার্যকর রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আইনটি হলো —
১. ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ (The Consumer Rights Protection Act, 2009)
এটি বাংলাদেশের মূল ভোক্তা সুরক্ষা আইন।
এই আইনের আওতায় ভোক্তারা পণ্যের গুণগত মান, মূল্য, প্রতারণা, ভেজাল, মিথ্যা বিজ্ঞাপন ইত্যাদি বিষয়ে অভিযোগ করতে পারেন।
আইনের প্রধান উদ্দেশ্যঃ-
★ ভোক্তাদের ন্যায্য অধিকার সংরক্ষণ
★ ভেজাল ও প্রতারণা প্রতিরোধ
★ মানসম্পন্ন ও নিরাপদ পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা
★ ব্যবসায়ীদের নৈতিক আচরণে উৎসাহ প্রদান
এই আইনের অধীনে কাজ করেঃ-
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (DNCRP)
২. খাদ্য নিরাপত্তা আইন, ২০১৩ (Food Safety Act, 2013)
খাদ্যে ভেজাল, বিষাক্ত রাসায়নিক বা অনিরাপদ খাদ্য বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এই আইন প্রণীত হয়।
এই আইনের অধীনে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA) কাজ করে।
৩. ওষুধ আইন, ১৯৪০ (Drugs Act, 1940) এবং সংশোধনীসমূহ
ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভেজাল ওষুধ বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এই আইন কার্যকর।
পরিচালনাকারী সংস্থা: ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর
৪. মান নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আইন
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন আইন, ২০১৮ (BSTI Act, 2018)
এই আইন অনুযায়ী BSTI পণ্যের মান যাচাই ও সনদ প্রদান করে।
৫. প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২ (Competition Act, 2012)
এই আইন ব্যবসায়ীদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা বা একচেটিয়া বাজার দখল প্রতিরোধ করে, যা পরোক্ষভাবে ভোক্তার অধিকার রক্ষা করে।
নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাঃ- বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন
♦️ সারসংক্ষেপেঃ-
|
ক্র. নং
|
আইনের নাম
|
বছর
|
নিয়ন্ত্রক সংস্থা
|
|
১
|
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন
|
২০০৯
|
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (DNCRP)
|
|
২
|
খাদ্য নিরাপত্তা আইন
|
২০১৩
|
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA)
|
|
৩
|
ওষুধ আইন
|
১৯৪০
|
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর
|
|
৪
|
মান নিয়ন্ত্রণ আইন (BSTI আইন)
|
২০১৮
|
BSTI
|
|
৫
|
প্রতিযোগিতা আইন
|
২০১২
|
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন
|