ওয়াই-ফাই থেকে যে তরঙ্গ বের হয় তা নন-আয়নাইজিং রেডিয়েশন। এই ধরনের তরঙ্গ শরীরের কোষ বা ডিএনএ নষ্ট করতে পারে না। সূর্যের আলো বা এক্স-রে যেরকম ক্ষতি করতে পারে, ওয়াই-ফাই তা পারে না।
বাচ্চাদের ক্ষেত্রে:
এখন পর্যন্ত করা গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের স্বাভাবিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার বাচ্চাদের মস্তিষ্কের বিকাশ, স্মৃতি বা স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।
গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে:
ওয়াই-ফাই ব্যবহারে গর্ভের শিশুর কোনো ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ডাক্তাররা সাধারণত এই নিয়ে আলাদা কোনো নিষেধাজ্ঞা দেন না।
বয়স্কদের ক্ষেত্রে:
বয়স্কদের উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট বা স্নায়ুর সমস্যার সঙ্গে ওয়াই-ফাইয়ের সরাসরি কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। তাহলে কেন অনেকে মাথাব্যথা বা অস্বস্তি অনুভব করেন? এগুলো বেশিরভাগ সময় হয় বেশি সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার জন্য, ঘুমের অভাব, চোখের ক্লান্তি, মানসিক চাপের কারণে। ওয়াই-ফাই নিজে এসবের মূল কারণ নয়।
তবুও সতর্ক থাকতে চাইলে ক্ষতি না থাকলেও কিছু অভ্যাস ভালো রাতে ঘুমানোর সময় রাউটার একটু দূরে রাখা বাচ্চাদের স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ করা ফোন বা ট্যাব দীর্ঘক্ষণ একদম গায়ে লাগিয়ে না রাখা। এগুলো ওয়াই-ফাইয়ের জন্য নয়, বরং সুস্থ জীবনযাপনের জন্যই ভালো।