রামধনু তৈরি হয় সূর্যের আলো ও বৃষ্টির পানির ফোঁটার মধ্যে আলোর প্রতিসরণ, বিচ্ছুরণ ও অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
সহজভাবে বিষয়টি হলোঃ-
1. সূর্যের আলো প্রবেশঃ- বৃষ্টির পর বাতাসে ভেসে থাকা অসংখ্য পানির ফোঁটার মধ্যে সূর্যের সাদা আলো প্রবেশ করে।
2. আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণঃ- পানির ফোঁটার মধ্যে প্রবেশের সময় আলো বেঁকে যায়। তখন সাদা আলো ভেঙে সাতটি আলাদা রঙে বিভক্ত হয়। এই প্রক্রিয়াকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে।
3. অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনঃ- পানির ফোঁটার ভেতরে আলো প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসে।
4. আবার প্রতিসরণঃ- ফোঁটা থেকে বের হওয়ার সময় আলো পুনরায় বেঁকে যায়। ফলে সাতটি রং আলাদা আলাদাভাবে আমাদের চোখে পৌঁছায়।
রামধনুর সাতটি রং হলো: বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।
বাঁকা আকৃতি কেন হয়?
আকাশের অসংখ্য পানির ফোঁটা থেকে নির্দিষ্ট কোণে প্রতিফলিত ও প্রতিসরিত আলো আমাদের চোখে পৌঁছায়। এই ফোঁটাগুলোর সম্মিলিত আলোকরশ্মি আমাদের কাছে বৃত্তাকার বা ধনুকের মতো বাঁকা আকৃতি তৈরি করে। মাটি থেকে সাধারণত রামধনুর কেবল ওপরের অর্ধেক অংশ দেখা যায়।
মনে রাখার বিষয়ঃ- রামধনু দেখতে হলে সাধারণত সূর্যকে পেছনে রেখে সামনের বৃষ্টির ফোঁটার দিকে তাকাতে হয়।
এভাবেই প্রকৃতির এক অপূর্ব দৃশ্য রামধনু তৈরি হয়।