ইএসআইএম (eSIM) এবং ফিজিক্যাল সিম (Physical SIM) এর মূল পার্থক্য এবং এর ব্যবহারের সুবিধাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
মূল পার্থক্য
• ফিজিক্যাল সিম: এটি একটি প্লাস্টিকের ছোট চিপ, যা ফোনের সিম ট্রেতে বাহির থেকে হাতে ঢুকিয়ে ব্যবহার করতে হয়। অপারেটর বদলাতে হলে এই প্লাস্টিক চিপটি পরিবর্তন করতে হয়।
• ইএসআইএম (eSIM): এর পূর্ণরূপ হলো Embedded SIM। এটি কোনো আলাদা প্লাস্টিক চিপ নয়, বরং ফোনের মাদারবোর্ডের ভেতরেই স্থায়ীভাবে বিল্ট-ইন বা যুক্ত করা থাকে। এতে ইন্টারনেট থেকে সফটওয়্যারের (QR Code স্ক্যান করে) মাধ্যমে সিম প্রোফাইল ডাউনলোড করে সচল করতে হয়।
eSIM ব্যবহারের প্রধান সুবিধা
• সহজে অপারেটর পরিবর্তন ও মাল্টিপল সিম: সিম কার্ড না খুলেই শুধু কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে যাওয়া যায়। একটি ইএসআইএম-এ একাধিক নম্বর (সাধারণত ৫ থেকে ৮টি প্রোফাইল) সেভ করে রাখা যায় এবং প্রয়োজনমতো সুইচ করা যায়।
• ভ্রমণে দারুণ সুবিধা (International Roaming): বিদেশে যাওয়ার পর নতুন প্লাস্টিক সিম কেনার ঝামেলা থাকে না। দেশ থেকেই বা এয়ারপোর্টে বসেই ওই দেশের ডিজিটাল সিম প্রোফাইল কিনে ইন্টারনেট ও কল চালু করা যায়।
• উচ্চ নিরাপত্তা: ফোন চুরি হয়ে গেলে চোর সিম কার্ডটি খুলে ফেলে দিতে পারবে না। ফলে ফোনটি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকবে এবং 'Find My Phone' দিয়ে সহজেই ট্র্যাক করা যাবে।
• ডিজাইন ও স্থায়িত্ব: ফোনে সিম ট্রের জন্য আলাদা জায়গার প্রয়োজন হয় না, যা ফোনকে আরও স্লিম এবং জলরোধী (Waterproof) করতে সাহায্য করে। এছাড়া সিম বারবার খোলা-পড়ার কারণে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।