ডুয়াল সিম ডুয়াল স্ট্যান্ডবাই (DSDS) এবং ডুয়াল সিম ডুয়াল একটিভ (DSDA) প্রযুক্তির মূল পার্থক্য এবং কল বা ডাটা ব্যবহারে এদের প্রভাব নিচে দেওয়া হলো:
মূল পার্থক্য
• DSDS (Dual SIM Dual Standby): এই প্রযুক্তির ফোনে একটি মাত্র রেডিও রিসিভার/অ্যান্টেনা থাকে। ফলে দুটি সিমই একসাথে চালু (Standby) থাকলেও, যখন একটি সিমে কল বা ডাটা অ্যাক্টিভ হয়, তখন অন্য সিমটি সাময়িকভাবে পুরোপুরি বন্ধ বা ডিসকানেক্ট হয়ে যায়।
• DSDA (Dual SIM Dual Active): এই প্রযুক্তির ফোনে দুটি আলাদা রেডিও রিসিভার/অ্যান্টেনা থাকে। ফলে দুটি সিমই একই সাথে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে সক্রিয় থাকে। একটি সিমে কথা বলার সময়ও অন্য সিমটি সচল থাকে।
কল এবং ডাটা ব্যবহারে এদের প্রভাব
ফিচারের প্রভাব DSDS (ডুয়াল স্ট্যান্ডবাই) DSDA (ডুয়াল একটিভ)
এক সিমে কথা বলার সময় অন্য সিমে কল আসা দ্বিতীয় সিমে কল দিলে সেটি "বন্ধ" বা "নট রিচেবল" দেখাবে। কোনো কল আসবে না। দ্বিতীয় সিমে কল আসলে ক্যাপাসিটি অনুযায়ী কল ওয়েটিং দেখাবে এবং আপনি চাইলে প্রথম কল হোল্ডে রেখে দ্বিতীয়টি ধরতে পারবেন।
এক সিমে কথা বলার সময় অন্য সিমের ইন্টারনেট প্রথম সিমে কল চললে দ্বিতীয় সিমের ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে (যদি না ফোনে বিশেষ 'Data Switching' সফটওয়্যার ফিচার থাকে)। এক সিমে ফোনে কথা বলার সময়ও দ্বিতীয় সিমের ইন্টারনেট ব্যাকগ্রাউন্ডে পূর্ণ গতিতে চলতে থাকবে।
গেমিং ও লাইভ স্ট্রিম গেম খেলার সময় অন্য সিমে ফোন আসলে ইন্টারনেট কেটে যাবে, ফলে গেম ডিসকানেক্ট বা ল্যাগ করবে। এক সিমে গেম খেলার সময় অন্য সিমে ফোন আসলেও ইন্টারনেট সচল থাকবে এবং গেমে কোনো প্রভাব পড়বে না।
বর্তমান বাজারের অবস্থা
বর্তমান যুগের প্রায় সব স্মার্টফোনই DSDS প্রযুক্তির হয়ে থাকে, কারণ এটি তৈরিতে খরচ কম এবং ব্যাটারি অপচয় কম হয়। অন্যদিকে, DSDA ফোন বাজারে খুবই বিরল এবং এটি সাধারণত প্রিমিয়াম বা ফ্ল্যাগশিপ গেমিং ফোনেই কেবল দেখা যায়।