শরীরের গঠন বা ওজনের ওপর ভিত্তি করে যৌনাঙ্গের (যোনি ও এর বাইরের অংশ) বিশেষ কোনো "নির্দিষ্ট আকৃতি" থাকে না। তবে শরীরের চর্বির বিন্যাস এবং শারীরিক গঠনের কারণে বাহ্যিক কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হতে পারে।
একজন নারীর ওজন যেমনই হোক না কেন, তার যৌনাঙ্গের গঠন প্রধানত বংশগতি বা জেনেটিক্স এবং হরমোনের ওপর নির্ভর করে। মোটা নারীদের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো সাধারণত দেখা যায়:
১. মেদ বা চর্বির প্রভাবঃ
নারীর যৌনাঙ্গের উপরের অংশ, যাকে 'মনস পিউবিস' (Mons Pubis) বলা হয়, সেখানে প্রাকৃতিকভাবেই চর্বি থাকে। শরীরের ওজন বেশি হলে এই অংশে চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, ফলে এটি কিছুটা ফোলা বা উঁচু দেখাতে পারে।
২. ল্যাবিয়া বা যোনিপথের ঠোঁটঃ
যৌনাঙ্গের বাইরের পাপড়ি বা ঠোঁট (Labia Majora)-এ চর্বি জমা হওয়ার কারণে এটি অধিক ভরাট বা 'প্লাপি' (Plump) দেখাতে পারে। এর ফলে যোনিপথের ছিদ্রটি সাধারণত বেশি ঢাকা থাকে। তবে ভেতরের ছোট ঠোঁট (Labia Minora) ওজনের সাথে পরিবর্তিত হয় না; এটি একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম (ছোট, বড় বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ) হতে পারে।
৩. ঘর্ষণ ও ত্বকের রঙঃ
উরু বা থাইয়ের অংশ বেশি ভারী হওয়ার কারণে হাঁটাচলার সময় ঘর্ষণের ফলে যৌনাঙ্গের আশপাশের ত্বকের রঙ কিছুটা গাঢ় বা কালচে হতে পারে। এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি শারীরিক প্রক্রিয়া।
৪. অভ্যন্তরীণ গঠনঃ
যোনিপথের ভেতরের গঠন (Vaginal Canal) মাংসপেশি দ্বারা তৈরি। শরীরের ওজন বেশি হওয়ার সাথে যোনিপথের ভেতরকার ঢিলেঢালা ভাব বা টাইট হওয়ার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। এটি মূলত নির্ভর করে পেলভিক ফ্লোর মাসল বা মাংসপেশির শক্তির ওপর।