কবিতায় আলংকারিক ভাষার ব্যবহার কবিতার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে নিম্নলিখিতভাবে—
-
ভাবের গভীরতা ও শক্তি বৃদ্ধি করে:
তুলনা (উপমা), রূপক (মেটাফর), অপ্রত্যক্ষ প্রকাশের মাধ্যমে অনুভূতিকে আরও শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করা যায়।
-
কল্পনার চিত্র ও দৃশ্য তৈরি করে:
প্রতীক (Symbol) ও বর্ণনা কবিতায় জীবন্ত দৃশ্য বা চিত্র ফুটিয়ে তোলে, যা পাঠকের কল্পনাকে জাগ্রত করে।
-
সুর ও ছন্দকে সমৃদ্ধ করে:
অলোকারিক শব্দচয়ন ছন্দময়তা ও ধ্বনিমাধুর্য বৃদ্ধি করে, কবিতাকে আরও মধুর করে তোলে।
-
পাঠকের আবেগকে স্পর্শ করে:
সরল ভাষার চেয়ে আলংকারিক ভাষা অনুভূতি ও মনোভাবের সূক্ষ্ম স্তরগুলো প্রকাশে সক্ষম।
-
কবিতার এককতা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে:
ভাব, রূপ ও শব্দের সুষম সংমিশ্রণে কবিতার সামগ্রিক সৌন্দর্য এবং স্মরণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।
সংক্ষেপে, আলংকারিক ভাষা কবিতার ভাব, রূপ ও সুরকে জীবন্ত ও মনোমুগ্ধকর করে।